
পাঞ্জাবের এই গ্রামে হিন্দু, মুসলিম এবং শিখ একসাথেই পালন করে রমজান মাস! ----- পাঞ্জাবের এই ছোট্ট গ্রামটায় ঢুকলে প্রথমে কিছুই আলাদা মনে হয় না। সবুজ ক্ষেত, কাঁচা রাস্তা, সন্ধ্যায় গুরদ্বারার শব্দ, মসজিদের আজান—সবকিছু যেন পাশাপাশি চলতে থাকে, কোনো তাড়াহুড়ো নেই। এই গ্রামে হিন্দু, মুসলিম আর শিখ পরিবার যুগ যুগ ধরে একসাথে থাকে। পাশাপাশি বাড়ি, একই মাঠ, একই বাজার, একই জলের কুয়ো। এখানে ধর্ম কখনো দেওয়াল হয়ে দাঁড়ায়নি, বরং সম্পর্কের আরেকটা রঙ হয়ে থেকেছে। রমজান মাস এলেই গ্রামের চিত্রটা একটু আলাদা হয়ে যায়। মুসলিম পরিবারগুলো রোজা রাখা শুরু করে। ভোরবেলা সাহরির আলো জ্বলে ওঠে, সন্ধ্যায় অপেক্ষা চলে ইফতারের। কিন্তু আশ্চর্যের ব্যাপার হলো— এই সময় শুধু মুসলিম পরিবারগুলোই নয়, গ্রামের হিন্দু আর শিখ পরিবারগুলোর জীবনও বদলে যায়। রমজানের কিছু দিনে তারা নিজের ঘরে আলাদা করে রান্না করে না। সবাই মিলে একসাথে বাজার করে— ফল, দুধ, খেজুর, সবজি, আটা। কেউ জিজ্ঞেস করে না, “এটা কার জন্য?” কারণ উত্তরটা সবার জানা—সবার জন্য। বিকেলের দিকে একসাথে রান্না শুরু হয়। কেউ রুটি বানায়, কেউ ডাল নেড়ে দেয়, কেউ বা শুধু পাশে দাঁড়িয়ে গল্প করে। ধর্ম এখানে পরিচয় নয়, দায়িত্ব। সূর্য ডোবার একটু আগে একটা লম্বা পাটি পাতা হয়। থালায় থালায় খাবার সাজানো থাকে। আজানের শব্দ শোনা মাত্রই সবাই একসাথে বসে পড়ে। সেই মুহূর্তে কে হিন্দু, কে মুসলিম, কে শিখ— এ প্রশ্ন আর কারও মাথায় আসে না। সবাই শুধু মানুষ। একজন আরেকজনের হাতে জল তুলে দেয়, খেজুর এগিয়ে দেয়, হাসি ভাগ করে নেয়। এই গ্রামে কেউ একা রোজা ভাঙে না। ঈদের দিনেও একই ছবি। হিন্দু আর শিখ পরিবারগুলো সকালে এসে শুভেচ্ছা জানায়। মিষ্টি খায়, হাসে, ছবি তোলে। আবার অন্য উৎসবে মুসলিম পরিবারগুলোও একইভাবে পাশে থাকে। এই গ্রাম জানে— উৎসব মানে আলাদা হয়ে যাওয়া নয়, উৎসব মানে আরও কাছে আসা। যখন বাইরে ধর্ম নিয়ে বিভাজনের গল্প চলে, এই গ্রাম তখন চুপচাপ প্রমাণ করে দেয়— সহাবস্থান কোনো স্লোগান নয়, এটা প্রতিদিনের অভ্যাস। পাঞ্জাবের এই গ্রাম আমাদের মনে করিয়ে দেয়, ধর্ম আলাদা হতে পারে, কিন্তু ক্ষুধা এক, আনন্দ এক, আর মানবিকতা—সবার আগে। এতক্ষণ এ নিশ্চই এই প্রশ্ন মাথায় এসেছে যে এখানে কোন গ্রামের কথা বলা হচ্ছে? আমরা কথা বলছিলাম পাঞ্জাবের বাতিন্দা জেলার চক ফতেহ সিংওয়ালা গ্রাম নিয়ে। তবে এই চিত্র পাঞ্জাবের বহু গ্রামে গেলেই দেখতে পাওয়া যাবে। #Punjab #Ramzan #IftarTogether #CommunalHarmony #UnityInDiversity
This post was published on 13th February, 2026 by Surya Shankar on his Instagram handle "@laughalaughi (LaughaLaughi®)". Surya Shankar has total 54.0K followers on Instagram and has a total of 17.4K post.This post has received 70 Likes which are lower than the average likes that Surya Shankar gets. Surya Shankar receives an average engagement rate of 0.24% per post on Instagram. This post has received 3 comments which are greater than the average comments that Surya Shankar gets. Overall the engagement rate for this post was lower than the average for the profile. #IftarTogether #Ramzan #UnityInDiversity #Punjab #CommunalHarmony has been used frequently in this Post.